তিন টুকরো লাশের গল্প _খুনি

35
0

তিন টুকরো লাশের আত্ব কাহিনী _খুনি
মোঃ তবিবুর রহমান হৃদয়

গুম খুন হত্যা অত্যাচার অনাচার ব্যভিচার অবিচার ! আমাদের সমাজে তা সংঘটিত হচ্ছে নিয়মিত সচরাচর। বর্তমান কালে সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায় যে সমাজটা যেন কালো অন্ধকারে নির্মল চাদরে আবৃত হয়ে গেছে !
হত্যা খুন রাহাজানি ছিনতাই সন্তানের সামনে মাতা
খুন মাতার সামনে সন্তান খুন মানুষ যেন এক হিংস্র পশুতে পরিনত হয়ে গেছে বলা যায় প্রাচীন কালের সেই কালো অমানিশার আধারে ঢেকে গেছে মানুষের মন মানুষ কি করে এতো নিষ্ঠির পারে!
মানুষ সামান্য ভুল ত্রুটির কারনে এমন নিসংস্র ভাবে তার সহধর্মিণী কে হত্যা করতে পারে !
স্ত্রী তার স্বামীকে হত্যা করতে পারে !
এই নিসংস্র নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর জেলা পল্লীবিদুৎ এলাকাধীন ! স্বামী তার স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে ধর থেকে মুন্ডটা আলাদা করে!
এ যেন জাহেলিয়াতের যুগকেও হার মানিয়েছে !
এ যেন দাহিয়াতুল কালবি কেও পিছনে ফেলেছে
ছুটে চলেছে নির্ভীক দূর্গম গতিতে নেই তার চেহারার মাঝে কোন অনুতপ্তের ছায়া মায়া মমতা কেন কিচ্ছু নেই তার অন্তরে!
তুমি কোন চিন্তা করোনা বন্ধু না হয় তুমি এই খনিকের পুথিবীতে আরো কয়েকটা দিন বাচতে চেয়েছিলে সে তোমাকে বাচতে দিলো না!
হয়তো তোমার স্বামীর হাতে নিজের প্রান বিলিয়ে দেবার কারনে আল্লাহ তোমাকে তোমার যত পাপ রাশি পাপের খাতা থেকে মুছে দিতে পারে!
তোমার খুনের কথা অঙ্কিত পত্রিকার পাতায় পাতা!
টিভির চ্যানেল গুলো তোমার খবর দিলো ফেসবুকের প্রতি পাতা তোমার মৃত্যুর খবর ছাপা হলো তিন খন্ড লাশ দেখতে হাজার হাজার জনতার ভির নেই কোন প্রতিবাদী শ্লোগান সবাই শুধু নির্বাক চোখে চেয়ে দেখে হতবাক!
রক্তে টলোমল শত জনতার ঢল যেন লাল মেহেদি রাঙানো দুটি হাত! করিয়াছি নিজে খুন পুলিশ কে করে ফোন বলে আমি ঘটিয়াছি সংঘাত!
এতো বছরের সংসার বিশ্বাসে বাধে ঘর সে তার পিতা মাতা গ্রাম সবকিছু পরিত্যাগ করে তোমার দুটি হাত ধরে আলো আঁধারের মাঝে তোমার সাথে পথ চলেতে ছিলো !
কত নির্মম তুমি কত নির্দয় তুমি তোমার কোন পাথরে গড়া মন! একবার কি মনে পরেনি তোমার যদি ও অপরাধী হলে ও সে তোমার আপনজন!
হয়তো তোমার হবেনা ফাসি হবে যাবৎ জীবন কারাগার হয়তো টাকার বিলিয়ে মুক্তি পেতে পার কিন্তুু তুমি যে খুনি একথাটি মুছতে পারবে তোমার গাঁ থেকে তুমি আতর দামি দামি সুগন্ধি লাগাও তুমি খুনি তুমি শুধুই খুনি তোমার নাম।

তারিখ-২১/১০/২০২২
মোঃ তবিবুর রহমান হৃদয়

sahittorosh.com

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।