এই না হলে জীবনানন্দ দাশ!
0সেনেট হলের বিখ্যাত কবি সম্মেলন। সম্মান, খ্যাতি ও প্রশংসা কিছুতেই কিছু যায় আসে না কবির। যথারীতি বই না নিয়ে কবিতা পড়তে চলে এলেন। কবিতাও মুখস্থ নেই।...
সেনেট হলের বিখ্যাত কবি সম্মেলন। সম্মান, খ্যাতি ও প্রশংসা কিছুতেই কিছু যায় আসে না কবির। যথারীতি বই না নিয়ে কবিতা পড়তে চলে এলেন। কবিতাও মুখস্থ নেই।...
পৃথিবীর সব চেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে,যেটা আদালতে।আর সব চেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে,যেটা পানশালায়।
আমি তো দেখেছি আকাশে বাতাসে ,বাংলার প্রান্তরে প্রান্তরে,শিশির ভেজা দূর্বা ডগায়,ভাসমান নদ-নদী আর,শস্যরাজির পরতে পরতে ,রক্ত সিক্ত শহীদের আনাগোনা :শহীদের আত্মার আনাগোনা!!দেখেছি বদ্ধ জলাশয়ে আর ঝিলের...
সন্ধ্যার চাদরে পৃথিবী ঢেকে আছে। দখিনা হাওয়ায় নৃত্য করছে পাতা, লিকলিকে সব শাখা। জানালার গ্রীলে হাত ডুবিয়ে থুতনি ঠেকিয়ে তাকিয়ে আছি দিগন্তে। বাতাসের শীতল পরশে আবিষ্ট...
ভগ্নাংশের মতোই আমাদের হৃদয় নয় কি?-ভগ্নাংশের মতোই আমাদের হৃদয়;ক্ষান্তিলগ্নে ভগ্ন-আমারা যাদেরকে ভালোবেসে যোগ করি;তারা আমাদেরকে অবহেলায় বিয়োগ করে।
আমার রোমের অভিমানী চার দেয়াল, দুঃখগুলো ভুলিয়ে দেওয়া কফির কাপ পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হওয়া বইয়ের তাক তোমার ছলনাময়ী একবাক্স স্মৃতি, বন্ধুদের সাথে করা কিছু অভিমান ছাড়া অজানা...
“আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে – এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয় – হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে” যিনি কথা দিয়েছিলেন শালিক বা শঙ্খচিল হয়ে এই বাংলার বুকে...
জীবনের ধারাপাতে মেঘের মতো শুভ্র একটা মানুষ থাকা চাইমেঘের যেমন দুঃখ ভারি হলে, ঝেড়ে ফেলে হয়ে উঠে চকচকে প্রফুল্ল,ঝিমধরা প্রভাত, কাঠফাটা রোদসহ, অভিমানী বিকেলেওঅপরাধী বনে লজ্জায়...
তার রূপের বর্ণনা দিয়ে লিখছে কত কবি,আর “আমি”সেই রূপের মায়ায় পড়ে আঁকছি তারই ছবি।
আমি ভাবি তুমি কখনোই ছিলে না ,কি করে থাকবে? শুধু অস্তিত্ব উপস্থিত থাকলেই কী থাকা হয়!